.::. Windows 7 Customized .::.

Customize Windows 7, As you wish. Go to Tutorials Menu and Select .::. Windows 7 Customized .::.

.::. Website Design and Web Development .::.

Professional + Successful + Search Engine Friendly Website.

Professional SEO

Professional Search Engine Optimization, Get Traffic, Make Money.

.::. Hackology .::.

Hacking Tips/Tricks, Make Anonymous, Hack PC or Website.

.::. OutSourcing .::.

Earn Money By Advertisement, Online Earnings.

Thursday, November 14, 2013

আমার চাচার কাছ থেকে একটি বার্তা

 এই গল্প আমার নীরব হয়. কয়েক সপ্তাহ আগে তার বাবা দূরে পাশ - আমার granddad. এক রাতে তিনি তাকে অনেক চিন্তা ছিল. হঠাৎ তিনি (আমার granddad সবসময় যে পরতেন) আরব সুগন্ধি smelt যখন তিনি ধীরে ধীরে তার চোখ বন্ধ. তিনি তাকিয়ে কিন্তু কিছুই দেখেছি.

বাতাসে একটা বড় gust গত গিয়েছিলাম এবং সে তার কন্ঠ "আপনার মেয়ে সাহায্য" বলছে শুনেছি. আমার নীরব ওভার লাগছিল (আমার নীরব, আমার এবং আমার বোন একই রুমে ঘুম, একটা ডাবল বেড থেকে আমার নীরব এবং সামান্য বোন এবং আমার এবং একটি bunk বিছানার উপর আমার বড় বোনের) এবং আমার এবং আমার বোন পর্যন্ত হাঁটা একটি shadowy চিত্র দেখেছি . আমার নীরব এটি চেঁচিয়ে এবং এটি তার দিকে সরাসরি তাকিয়ে, এটা আমার নীরব সবচেয়ে বিচিত্রভাবে ছোপ - লাগানো বা ডোরাকাটা, যা কোন চোখ ছিল. এটা তার দৌড়ে এবং বিছানার উপর তার নিচে ধাক্কা. তারপর, এটা তার উপর কভার করা এবং শক্তভাবে তার হাত অনুষ্ঠিত হয়. সে কারণ তার ওভার কভার এর শ্বাস নিতে না পারে এবং যে জিনিস তাদের অধিষ্ঠিত ছিল, কারণ তার হাত সরাতে পারিনি.

আমরা আমার নীরব তার ঘুমের মধ্যে সংগ্রাম দেখেছি যখন আমার এবং আমার বোন woke আপ. আমরা তার woke আপ এবং তিনি কি ঘটেছে আমাদের জানান. আমরা তার হাত লাল আঙুল চিহ্ন দেখেছি যখন আমার বোন তার শান্ত করার চেষ্টা ছিল - এটা তার অধিষ্ঠিত ছিল যেখানে ঠিক একই স্থানে. আমার বাবা আমাদের চেক উপরতলার rushed. তিনি তাকে গত কেউ রান অনুভূত যখন তিনি সফা বন্ধ dozed যে বলেন. তিনি অন্যান্য রুম থেকে এটি chased কিন্তু তিনি সেখানে পেয়েছিলাম সময় দ্বারা এটি সর্বস্বান্ত না.

খেয়ালী! ওয়েল আমি প্রচুর আরো আছে যে গল্পটি পছন্দ আপনি প্রত্যাশিত!

চাচীর অভিজ্ঞতা জীবন জন্য ভীতি


আমার প্রথম গল্প আমার auntie বাংলাদেশে যখন যা আমার নীরব আমরা সব আছে একই বাড়িতে বাস উপায় দ্বারা, আমার সম্পর্কে জানিয়েছেন, 'আমার চাচীর সম্পর্কে. রাতে তিনি তার বোন ইন আইন ও আমার নীরব সঙ্গে ঘুমের হয়. তিনি বলেন, আমি অনুমান, একটা ড্রিংক পেতে রাতে মাঝখানে আপ woken ছিল. তিনি ফিরে আসেন, সে খোলা (বাইরে নেতৃস্থানীয়) তাদের শয়নকক্ষের দরজা পাওয়া যায় নি. সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি ferotni যা বলা হয় কিছু দেখেছি.

Ferotnis বেশিরভাগ গাছ কাছাকাছি পাওয়া যায় যে মৃত মহিলা আছে. তারা অন্যান্য মেয়েদের চুলের কুচুটে হয়. তাদের বর্ণনা (আমি নীরব তারা কি আমার ব্যাখ্যা ছিল তারা চেহারা কল্পনা করতে পারে এক দেখা যায় না যদিও), তারা, সাদা saris পরতে লম্বা চুল আছে এবং এ খুঁজছেন খুব আনন্দদায়ক হয় না. আমার auntie (খুব সাহসী), এটি উপেক্ষা করা এবং ঘুম ফিরে গিয়েছিলাম.

এটি শুধু বাংলাদেশে না. তারা একটি নতুন ঘর পেয়েছেন প্রায় দুই বছর আগে. আমি প্রায় প্রতি সপ্তাহান্তে সেখানে যেতে আমি যে বাড়িতে অবিশ্বাস্যভাবে পাসে চলে গেছে, কিন্তু আমি সবসময় আমার auntie সবসময় যে বাড়িতে একা হচ্ছে চিন্তিত ছিল হিসাবে আমি প্রেক্ষিত কিন্তু কেউ সাথে ভাগ না হচ্ছে একটি অদ্ভুত অনুভূতি আছে. তার স্বামী যে ঘর কেনা আগে তারা আমার চাচার নীরব এর বাড়িতে স্থিত হয়.

একদিন আমি খুব ছোট ছিল এবং আমার মামাতো ভাই একটি শিশুর ছিল, যখন আমার auntie যে সময়ে আমার নীরব বলা ছিল. সে তার বাড়িতে সে ভীত এবং সেখানে সব একা অদ্ভুত অনুভূত বলছে ছিল সব একা.

অবশ্যই আমি তারপর ফিরে ঘটেছে কিন্তু আমার নীরব এটা আমার auntie আমার বাড়িতে যখন কয়েক দিনের উল্লিখিত কি মনে করবে না এবং আমি দেখেছি আমার auntie যখন জিজ্ঞাসা তিনি এটা অন্তর্গত করলো, যা একটি দীর্ঘ কালো ব্যক্তিত্ব বলেন, "একটি পুরুষ. "তিনি কিভাবে, যে পরে, তিনি একটি ভৌতিক সিনেমা দেখতে না পারে উল্লেখ করেছে.

এই কোন ভুল আমাকে ক্ষমা করে দাও দয়া করে আছে, তাই যদি একটি গল্প জমা আমার প্রথম সময়

বোকা ভূত

Image

তারাগঞ্জের পশ্চিমপাড়ার সবচেয়ে বড় এবং পুরান দেবদারু গাছেই থাকত ভূতটা ।
বয়স আর কত হবে?
এই ধর হাজার দেড়েক!
এই ভূতটা ছিল ভীষণ রকম বোকা।
এ জন্য অন্য সব ভূত তাকে ‘বোকাভূত’ নামে ডাকত।
আর বোকা ভূতটা, নিজেকে কি ভাবত জান? তেমন বেশি কিছু না, নিজেকে কেবল জগতের সবচেয়ে বেশি চালাক ও বুদ্ধিমান ভাবত!

একদিন হল কি, জান? না বললে জানবে কি করে!
আচ্ছা বলে দিই, বোকা ভূতটা মাঝ রাতে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে বাঁশি বাজাতে লাগল।
তার বাঁশি শুনে পাশের ঝোপ থেকে একটা শিয়াল পন্ডিত এসে হাজির।
শিয়াল পন্ডিত ভূতকে দেখে ভয়ে দৌড়াতে গিয়ে ভূতের সঙ্গেই খেল ধাক্কা। শিয়ালের ধাক্কা খেয়ে বোকাভূত তার প্রিয় বাঁশিটা ফেলল হারিয়ে । তারপর কত যে খুঁজল, তার হিসাব নেই। না পেয়ে বোকাভূতের হল ভীষণ রকম রাগ!
সে ঠিক করল, এইবার শিয়াল পন্ডিতকে আচ্ছা মত ভয় দেখাবে। সেই সুযোগ পেল একদিন।

সেদিন একটা কুকুর বেড়াতে এসেছিল বনে। আর বোকাভূত কুকুরকে শিয়াল ভেবে ভয় দেখাতে শুরু করল।
কিন্তু কুকুর কি আর ভূত ভয় পায়! কুকুরের গেল মেজাজ খারাপ হয়ে। বিরক্ত হয়ে সে বলল, আচ্ছা, ভূত তুমি আমাকে ভয় দেখাতে চাচ্ছ কেন, শুনি?
-আবার কেন বলছিস, বেকুব শিয়াল, তোর মনে নেই তোর জন্যই আমার শখের বাঁশিটা হারাতে হল।
কুকুর তো ভূতের কথা তেমন বুঝতে না পারলেও এইটুকু বুঝল, শিয়াল ভেবে তার পেছনে লেগেছে ভূতটা।
কিন্তু সে কোন ভাবেই ভূতকে বোঝাতে পারল না যে, সে শিয়াল নয়, কুকুর।
ভূত বলল, ভেবেছিস তোকে আমি চিনব না?
অতটা বোকা আমি নই। তোকে আমি ঠিক চিনেছি।
-আরে বললাম তো, আমি শিয়াল নই; আমি কু…কু…র।
-থাক আমাকে আর বোকা বানাতে হবে না। বাঁশি না দেয়া পর্যন্ত তোকে কিছুতেই ছাড়ব না তোকে।
এতক্ষণে ভড়কে গেল কুকুরটা। একা একা এই বনের মধ্যে ভূতের সঙ্গে বাহাদুরি করে কতক্ষণ আর টেকা যায়!
কিন্তু কি করবে সে,বুঝতে পারছিল না। মনে মনে নিজেকেই ধমকে দিল। কেন যে, জঙ্গলে এলাম!
-কিরে শিয়াল, মনে মনে কি বুদ্ধি আটছিস?
-দেখ তোমাকে আর কতবার বলব, আমি কু…কু…র।
ভূত হো… হো… হো… করে হেসে বলল, তাই বুঝি?
এই জন্যই তো লোকে তোকে পন্ডিত বলে।
বল বাঁশি দিবি কি দিবি না?
কুকুর কাঁদ কাঁদ হয়ে বলল, বাঁশি পাব কই?
বাঁশির খোঁজ জানি না তো!
-তাহলে ছাড়াও পাবি না, তোকে মরতেই হবে।
-কি মুশকিল? তুমি শুধু শুধুই আমাকে…
বলতে বলতে কেঁদে ফেলল কুকুরটা।
ভূত বলল, যতই কান্নাকাটি কর লাভ নেই, বাঁশি না দিলে তোকে ছাড়ব না আমি!
কোন পন্ডিতেই আজ কাজ হবে না। ভালই ভালই বলছি, বাঁশিটা দিয়ে দে। নইলে ঘাড় মটকে দেব কিন্তু।

শেষেমেশ কুকুর কোন উপায় না পেয়ে মনে মনে বুদ্ধি আটল। তারপর বলল, ও মনে পড়েছে তোমার বাঁশি পাওয়া গেছে।
-বেশ তো জলদি বল কোথায় রেখেছিস?
-তুমি এখানে থাক আমি এনে দিচ্ছি।
-না আমিও তোর সঙ্গে যাব।
-আচ্ছা, কিন্তু তার আগে আমাকে ওই সামনের জঙ্গলটাই নিয়ে চল। কুকুরটা জঙ্গল থেকে একটা লাঠি কুড়িয়ে ভূতের হাতে ধরিয়ে দিল।
-ভূত বলল এটা কি?
-আরে এটাই তো তোমার বাঁশি! নিজের বাঁশি নিজেই চিনছ না!
অনেকদিন জঙ্গলে পড়ে ছিল তো, একটু ধুয়েমুছে তারপর বাজিও।
ভূত বলল, ঠিক আছে,সেটা তোকে বলতে হবে না।
কুকুর বলল, আমি তাহলে যাই।
ভূত মাথা নেড়ে সম্মতি দিতেই কুকুরটা লেজ উঁচিয়ে দিল ভোঁ- দৌঁড়…!

“রাতের অ্যাম্বুলেন্স”


Image
আজ কাজে আসতে কামালের একটু দেরী হয়ে যায় . এখন বাজে সকাল প্রায় ৯ টা ৪৫ মিনিট .
হাজিরা খাতায় সই করতে করতে কামাল একবার আশে পাশে চোখ বুলায় তারপর ঝট করে হাজিরের
ঘরে লিখে ফেলে ৯টা ৩০ মিনটি . তার পর পাশের টেবিলে বসা এক বুড়োকে লক্ষ্য করে বলে-
বুঝলেন কলিম চাচা বউডার শরীর বেশি ভালা না . আট মাস চলতাছে . অনেক চিন্তায় আছি.
বাসায় কেউ নাই যে দেখভাল করবো . কি যে করি ? একটু থেমে আবার বলে -আমারই সব
করতে হয় . তার উপর টাকা পয়সার সম্যায় আছি .
-একটা কামের লোক রাখতে পারো না মিঞা ? পাশের টেবিলে বসে থাকা ৬০ বছর বয়সের বৃদ্ব
কলিম মিয়া কথাটা বলে কিছুটা থামে , তারপর আবার বলে – জানো তো পরপর তিনদিন লেট
হইলে এক দিনের বেতন পানিতে যাইবো . তোমার এ মাসে ওলরেডি ৭ দিন লেট . মানে ২
দিনের বেতন নাই. ব্যাপারটা মাথায় রাইখো .

কামাল কিছু বলে না মাথা নাড়ায় . সে ব্যাপারটা জানে .
সরওয়াদি হাসপাতালের এ্যম্বুলেন্স ড্রইবার হিসাবে গত মাস দু’য়েক আগে যোগ দিয়েছে কামাল . ওর কাজ হলো সারাদিন এ্যম্বুলেস চালান . যেদিন কাজের চাপ থাকে সেদিন এতো বেশি থাকে যে খাওয়া দাওয়ার সময় থাকে না . আর যেদিন কাজের চাপ কম থাকে সেদিন দেখা দু’একটা ট্রিপ মারার পরই বসে বসে ঝিমোতে হয় . তবে কাজের মধ্যেই থাকতে বেশি ভাল লাগে কামালের . তার উপর কখন ও সখন ও দু’পয়সা উপরি পাওয়া যায় . শুরুতে রুগি ,লাশ পরিবহন করতে একটু খারাপই লাগত . কিন্তু এখন তা সয়ে গেছে . ও চিন্তা করে দেখেছে যাত্রী পরিবহন করার চেয়ে রুগি আর লাশ পরিবহন করাই নিরাপদ হাউকাউ চেচামেচি কম করে . সই করে এ্যম্বুলেন্সের চাবির জন্য দোতালায় উঠতেই শান্তি দিদির সঙ্গে দেখা হয়ে যায় . তিনি প্রায় দৈড়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের
দিকে যাচ্ছিলেন . শান্তি দিদি হাসপাতালের সিনিয়র নার্স . কামালকে বেশ স্নেহ্ করে . ঠিক কামালের মতো দেখতে নাকি তার এক ভাই ছিল .
- কি দিদি কি খবর ?
- ২১ নম্বর রুগির অবস্হা বেশি ভাল না রে . স্যারদের খবর দিতে গেছিলাম . তোর বউ কেমন আছে ? কোন চিন্তা করবি না আমরা আছি . শান্তি দিদি দাঁড়ায় না .
কামাল কিছু বলার সুযোগ না পেয়ে হেসে অফিস রুমে ঢুকে যায় . সেখান থেকে চাবি নিয়ে সোজা বাহার ভাইয়ের চায়ের দোকানে . চাবি নেয়ার মানে কামাল গাড়ি সহ রেডি . কল আসলেই চলে যাবে . বাহার ভাই এর দোকানে কামাল এলাহি ভাইকে দেখতে পায় . আরো কয়েকজনকে নিয়ে বসে চা খাচ্ছে আর হাত নেড়ে নেড়ে কি যেন বলছে . এলাহি ভাই এই হাসপাতালের ড্রাইভার ইউনিয়নের নেতা . তার হুকুম ছাড়া হাসপাতালের একটা গাড়িও চলে না . তার কথাই আইন . কামাল কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে বলে ভাই কেমন আছেন ?
সালামের সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে এলাহি মিয়া বলে – কি ব্যাপার কামাল আজকাল থাকো কৈই ? ইউনিয়িন অফিসে আসো টাস না . শুধু কি রুগিগো সেবা করলে চলবো ? নিজের ভবিষ্যতের দিকে ও তো তাকাইতে হইবো, না কি ? সর্মথনের আশায় এলাহি মিয়া পাশে বসে থাকা অন্য সবার দিকে তাকায় . সবাই মাথা নেড়ে তাকে সর্মথন দেয় .
- লিডার কামাল মিয়ার তো বাচ্চা হইবো . পাশে বসে লম্বা মতো তেল চোরা জহির বলে .
-আবে কামালের বাচ্চা হইবো নাকি ? ক’ওর বউ এর বাচ্চা হইবো . আরেকজন কথাটা বলার সাথে সাথে সবাই হো হো করে হেসে উঠে . কামাল কিচ্ছু বলে না . মুখে হাসি হাসি একটা ভাব করে রাখে . যেন খুব মজা পাচ্ছে .
-বস . চাটা খাও . তয় ভাই বাচ্চা হওনের পর কিন্তু ইউনিয়নের জন্য সময় দিবা . আমি তো শালায় তোমগো লাইগা খাটতে খাটতে শেষ . আর যে কোন দরকারে আমার ফোন দিবা . তোমগো লাইগা আমার জান কোরবান . বলে এরাহি মিয়া দল বল নিয়া চলে যায় .
কামাল বুঝতে পারে আজকের দিনটা ওর বসে বসেই কাটবে . চায়ের দোকানে দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর ও কোন কল আসেনা . কামাল উঠে ওর এ্যম্বলেন্সের কাছে চলে আসে . ১৭ নম্বর এ্যম্বুলেন্স . দরাজা খুলে ও এ্যম্বুলেন্সে উঠে রেডিও চালিয় কতোক্ষন খবর শুনে .
এমন সময় সোলেমান এসে একটা ঠিকানা দিয়ে যায় . গুলশান যেতে হবে . রুগী নিয়ে আসতে হবে . কামাল বেড় হয়ে যায় . যাবার সময় একটা কলা আর বন রুটি নিয়ে নেয় বাহার এর দোকান থেকে দুপুরের খাবার হিসাবে খাবে বলে . খাতায় লিখে রাখতে বলে ও টান দিয়ে গাড়ী নিয়ে বেড় হয়ে যায় . হাসপাতালের গাড়ি চালালে আরেকটা সুবিধা হলো রাস্তায় সাজেন্টের সঙ্গে ঝামেলায় পরতে হয় না . কথায় আছে এ্যম্বুলেন্সের সাইরেন শুনলে প্রধান মন্ত্রীর গাড়ীও নাকি সাইট দেয় . কথাটা অনেকটা সত্য .
দেশের অবস্থা খুব একটা ভাল না . হাসিনা-খালেদা দুজনই বন্ধি . কখন কি হয় বলা যায় না . তারাতারি গুলশান থেকে ফিরতে পারলেই দ্বায়িত্ব শেষ করে বাসায় ফেরা যায় . মায়া বাসায় একলা . দুবার এর মধ্যে ওর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে . মায়া বলেছে ও ভাল আছে . কোন সমস্যা নাই . তাই ও এখন অনেকটা নিশ্চিন্তে আছে . গুলশান থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায় . দোতালায় চাবি জমা দেবার জন্য আসতেই কামাল খবর পায় শান্তি দিদি ওকে কয়েকবার খুঁজেছে . অফিস রুমে খবর দিয়ে রেখেছে যেন ও আসলেই যেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডে চলে আসে .

(২)
৭ নম্বর ওয়ার্ডটা খুব বড় . ঢুকতেই হাতের ডান পাশে নাসদের বসার জায়গা . শান্তি দিদি সেখানেই বসে আছেন . ওকে দেখে বলেন- কামাল এদিকে আয় . তোর সঙ্গে কথা আছে .
-দিদি বাসায় যেতে হবে . তারাতারি কও কি কইবা . কামাল একটা খালি চেয়ার টেনে বসে পরে .
-তোর বউ কেমন আছে ?
-আছে কোনরকম . দিদি রাইত হইছে . কাজের কথা কও . বউডা একলা ঘরে . কামাল তারা দেয় .
-আরে বছ না ছেমরা . কাজ ছাড়া কি তোরে ডাকছি ? কামাল মাথা নাড়ে দিদি ঠিক বলেছ কাজ ছাড়া ডাকেনি . শুন ২১ নম্বর বেডের রুগীডা মারা গেছে . লাশ মর্গে আছে . তোরে একটু দিয়া আইতে হইবো .
-কি কও ? এ্যই রাইতের বেলা ? জাকিরার তো নাইট ,ও’রে কও ? কামাল চলে যাবার জন্য দাঁড়িয়ে যায় .
-আরে শুন ; শুন; তোর তো টাকা দরকার . মালদার পাটি ; পাথের খরচ বাদ দিয়াও মনে হয় হাজার পাঁচেক দিবো . জাকির গেছে সাভারে আসলে কমু . ও মনে হয় রাজি হইয়া যাইবো . সামনে তোর পোলা পাইন হইবো হাতে টাকা পয়সা দরকার তাই আমি তোরে কইলাম . এখন যাওয়া না যাওয়া তোর মর্জি .
পাঁচ হাজার ! কামাল একটু দ্বিধায় পরে যায় . আসলেই তো ওর হাতে তেমন টাকা পয়সা নাই . প্রতি মাসে মাটির ব্যাংটাতে এতোদিন যা জমিয়েছে সব মিলিয়ে হয়তো হাজার পাঁচেকই হবে . এ সময় পাঁচ হাজার টাকা হলে বাচ্চা হওনের সময় অনেক নিশ্চিত হওয়া যায় .
-কিন্তু দিদি মায়া তো বাসায় একলা . দেরী করলে ভয় পাইতে পারে .
-আরে ছেমরা কয় কি ? ভয় পাইবো কেন ? লাগলে আমি যাওনের সময় একবার দেইখা যামু . শান্তি দিদি খাতায় কিছু লিখতে লিখতে বলে .
- কৈই যাইতে হইবো ? মাথা চুলকাতে চুলকাতে কামল জিজ্ঞাসা করে .
-কুমিল্লা . শান্তি দিদি লেখা বন্ধ না করেই বলে .
-ও মা কও কি দিদি ? কুমিল্লা ! কামাল আতকে উঠে . তাইলে তো ফিরতে ফিরতে ভোর হইয়া যাইবো .
-আরে না . ভোর হইবো না . এ্যই ধর তিনটা চারইটা বাজতে পারে .
-হেইডা তো ভোরই . কাইল আবার ডিইটি আছে না ? কখন ঘুমামু কখন কামে আমু .
-কাইল ১২ দিকে আবি .সুপার স্যাররে আমি কইয়া রাখুম . কোন অসুবিধা হইবো না . শান্তি দিদি ফাইলটা আলমিরাতে রাখতে রাখতে বলে .
-একটা কথা কও তো দিদি তোমার এতো গর্জকে ? ভালাই পাইছো মনে হয় .
-আরে ছেমরা মর . আমার আবার গর্জ কি ? তুই যখন মরবি তখন তোর লাইগাও আমি মাইষের হাতে পায়ে ধরমু .
-আহা দিদি রাগ করো কেন ?
-শুন . দিদি কামালের কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলে . যে মরছে সে অনেক বড় লোক আছিল . বড়লোকগো যেমন খাসলত ভালা হয় না . এই ব্যাডারও তাই আছিল . শেষ বয়সে তিনডা বিয়া করছে . কচি কচি মাইয়া গুলি এই এক সপ্তাহ বুইড়াডার লাগি যা করলো . এখন মরার পরও লাশ নিয়া বইয়া আছে . তুই যাইয়া পৌছে দিয়ে আয় . তোর কাম শেষ . শান্তি দিদি ওর হাতে একটা সাদা খাম দেয় .
-কি এইডা ? কামাল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে .
-কি আবার টাকা আর ঠিকানা যেহানে যাবি . যা গাড়িতে গিয়া ব.
-কিন্তু দিদি এতোটা পথ এই রাইতের বেলায় লাশ নিয়া একলা যাইতে পারুম না .
-আরে ছেমড়া একলা যাবি কেন . বুইড়ার তিন বউ যাইবো তোর লগে . দেখিস আবার না তুই বুইড়া হইয়া যাছ .নিজের রসিকতায় নিজেই শান্তি দিদি হেসে উঠে .
-কি যে কওনা দিদি ? আমি তাইলে গাড়িতে যাই .
-যা . আর শুন বউরে নিয়া চিন্তা করবি না . আমি তোর দিদি আছি . যা ভাগ .
কামাল বেড় হয়ে যায় . হঠাৎ করে টাকাটা পেয়ে মেজাজ ভাল হয়ে যায় . যেতে যেতে মায়ার সঙ্গে ফোনে কথা বলে . মায়াকে জানায় – ওকে এখন কুমিল্লা যেতে হচ্ছে , ফিরতে রাত হবে . মায়া যেন কোন চিন্তা না করে . যতো তারাতারি সম্ভব ও ফিরে আসবে .
কামাল নীচে নেমে দেখে লাশ ওর গাড়িতে তোলা হয়ে গেছে . মনির মিয়া গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে হাঁপাচ্ছে .
এতো ভারী কারো শরীর হয় ? চাইর জন মিল্লাও তুলতে যে কষ্ঠটা হইলো . কামালের দিকে তাকিয়ে হাত ঢোলতে ঢোলতে কথা গুলো এক নি:শ্বাসে বলে মনির মিঞা .
-অনেক ভারী নাকি ? পাল্টা জিজ্ঞাসা করে কামাল তাকায় এ্যম্বুলেন্সের ভেতরে . বাম পাশের বেডের উপর লাশটা রেখে সাদা একটা চাদর দিয়ে লাশটা ডেকে দেওয়া হয়েছে . মিনির মিঞা বাম দিকের দরজা বন্ধ করে দেয় . কালো বোরকা পরা লম্বা মতোন দু’জন মহিলা দাঁড়িয়ে আছে গাড়ির পাশে . একবার কামালের দিকে তাকিয়ে দু’জন নীচু স্বরে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে থাকে . কামালের কান পর্যন্ত সে কথার আওয়াজ পৌছায় না . কাগজ নিয়ে আরেক জন বোরকা পড়া মহিলা কামাল এর কাছে এসে বলে – আপনিই কি যাবেন ভাই ?
-কামাল উপরে নীচে হা সূর্চক মাথা নাড়ে .
-তা হলে চুলুন রওনা হই . মহিলা মিনির মিয়ার হাতে কয়েকটা একশ টাকার নোট দিয়ে অন্য দুজন মহিলার দিকে তাকিয়ে বলে – কৈই তোমরা আস .
সবাই উঠে বসতেই কামাল এ্যম্বুলেন্স ছেড়ে দেয় . ঘড়িতে তখন বাজে কাটায় কাটায় রাত ১২ টা বাজে .

(৩)
রাস্তায় খুব একটা গাড়ি নেই . সোডিয়াম বাতির আলোয় পথ ঘাট কেমন ভৌতিক মনে হচ্ছে . কামাল এমনিতে ভুত প্রেত বিশ্বাস করে না . তবু এ নির্জন রাতে কেন যেন ওর শরীরে কাটা দিয়ে যায় . গাড়ির গতি ঘন্টায় ৬০ রাখে কামাল . মনে মনে ঠিক করে কোন অবস্থাতেই গাড়ির গতি ৬০কি.মি: এর উপড় নেবে না . কামালের শশুরই ছিল ওর ওস্তাদ . সে শিখিয়েছে রাতের বেলা রাস্তা ঘাট যতোই ফাঁকা হোক না কেন একটা নিদিষ্ট গতিতে গাড়ী চালালে কোন এক্সিডেন্ট হয় না . কামাল কথাটা বিশ্বাস করে . তাই আগে বাগে মনে মনে গাড়ির গতি ঠিক করে নেয় ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার .সংসদ ভবন এর সামনে আসতেই বৃষ্টি শুরু হলো . কামাল মনে মনে বলে- বৃষ্টি হবার আর সময় পেল না . কামাল গাড়ীর গতি আরো কমিয়ে আনে . আসাদ গেটে আড়ং এর সামনে আসতেই সিগনাল পরে গেল . কামাল একবার ভাবলো টান দিয়ে চলে যাবে কিনা ? কিন্তু পরক্ষনেই ভাবলো; না . অস্থির হবার কিছু নাই .
ও গাড়ী থামিয়ে গ্রীন বাতির জন্য অপেক্ষা করে . রাস্তা প্রায় ফাঁকা . কোন জন মানব নেই . ডানে বামে তাকালে ওর কেমন একটা গা ছমছম করে উঠে . দুর ! যতোসব ফালতু চিন্তা ভাবনা . এক কিলোও আসতে পারলাম না আর ভুতের চিন্তা পেয়ে বসেছে . নিজেক নিজেই সান্তনা দেয় কামাল . হঠা. বাম পাশের জানলা দিয়ে একটা মুখ উকি দিতে চমকে উঠে চিৎকার করে কামাল কে ? কে ?
জানালায় দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে আছে এক বুড়া . মাথায় এলোমেলে সাদা চুল . দু’হাত দিয়ে জানালার কাঁচ চেপে আছে . দাঁত গুলোও কেমন ফাঁক ফাঁক . লোকটা বলে উঠে- দে ; দে; টাকা দে . ভাত খামু টাকা দে .
মেজাজ খারাপ হয়ে যায় কামালের . মনে হয় নাইমা দুইটা চড় মারে . হারমজাদা ভিক্ষা চাওনের আর কোন সময় পায় না . মর যাইয়া . ও সাট ফাঁক করে বুকে থুতু দেয় .
মনে মনে গজগজ করলেও বুক পকেট হাতরে পাঁচ টাকার একটা নোট বেড় করে লোকটার দিকে বাড়িয়ে ধরে . লোকটা টাকা না নিয়ে বলে -ভাগ . ভাগ . তারাতারি ভাগ .
কথার আগা মাথা বুঝতে পারে না ও . কামালের কাছে লোকটাকে করে হয়তো পাগল- টাগল হইবো . ঠিক এই সময় ওর পেছনের ছোট জানলায় টোকা দেবার শব্দ হয় . কামাল ওর ঠিক পিঠ লাগোয়া যে জানালাটা সেটা একটু ফাঁক করে ও ০পেছনে না তাকিয়েই বলে- জ্বি বলেন ?
-কি হয়েছে ? পেছন থেকে তিন জনের একজন জিজ্ঞাসা করে .
-না কিছুনা .
সিগনাল ছেড়ে দেওয়ায় কামাল গাড়ী টানদেয় . কামাল বাম পাশের মিররে তাকিয়ে বুড়োটাকে আর দেখতে পায় না . মনে মনে ভাবে আরে গেলো কোথায় ? ও একটু সামনে ঝুকে ফুটপাতটা দেখতে চেষ্টা করে ;কিন্তু বুড়োকে আর দেখতে না পেয়ে বেশ অবাক হয় ও ; তারপর ফামগেটের দিকে টার্ন্ নেয় .
পেছন থেকে ফিস ফিস করে কথা বলার শব্দ কানে আসে কামালের . এই নিরবতায় তাতে ও কিছুটা সাহস পায় কামাল . মাঝে মাঝে দু’একটা গাড়ি শো শো করে পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে . রাতে রাস্তায় বেশির ভাগ ট্রাকই চলে . দানবের মতো ট্রাকগুলি ঘোত ঘোত শব্দ করে চলে যায় . সায়দাবাদ ; যাত্রাবাড়ি হয়ে কামাল গাড়ি চালাতে থাকে শনির আকড়া দিয়ে কুমিল্লার দিকে . এ রাস্তাটা ওর বেশ পরিচিত . একটানা বৃষ্টি হচ্ছে . মনে হয়ে আজ সারা রাতই হবে . মাঝে মাঝে বিকট , শব্দে বিদ্যুত চমকাচ্ছে . শীত; শীত একটা ভাব চলে এসেছে . কামাল পানির বোতল খুলে পানি খায় . আশে পাশের দোকান পাট সব বন্ধ . আজ মনে হচ্ছে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যাও কম . পেছন থেকে আবারও টুক টুক করে শব্দ হয় .
- জ্বি বলেন ? কামাল মাথাটা একটু পেছনে নিয়ে বলে .
-আমরা একটু নামবো ? এক জন বলে . কামাল অবাক হয় .
-এখানে ?
-জ্বি . আপনি কি একটু থামেন .
-মনে হয় দাউদকান্দি এসে পরেছি . সেখানে থামলে হতো না ?
-না . সামনের বড় গাছটার কাছে থামুন . পেছন থেকে অন্য একটি কন্ঠ বলে উঠে . কথাটা আদেশেয মতো শুনার ওর কাছে . কামাল এ্যম্বুলেন্সটা রাস্তার পাশে একটা বড় গাছের গা ঘেষে দাঁড় করিয়ে দেয় . পেছনের দরজা খোলার শব্দ পেয়ে ও জানালাটা দিয়ে পেছনে তাকায় . আধো আলোয় যা দেখতে পায় তাতে কামাল এর মাথা ঘুরে উঠে . সিটের উপর মৃত ব্যক্তি বসে আছে . শুধু বসেই নেই ; হাত নেড়ে নেড়ে কি যেনো বলছে . ও প্রচন্ড রকমের ভয় পেয়ে যায় . কামল পেছন থেকে চোখ সরিয়ে নিজেকে আড়াল করে রাখতে চেষ্টা করে . সামনে তাকালে দু’ছায়া দেখতে পায় ও . কোন শরীর নেই . শুধু বোঝা যাচ্ছে দেহের অস্তিত্ব . বাতাসে ভেসে ভেসে ছায়া দু’কামালের দিকেই আসছে . ভয়ে ওর জান বের হয়ে যাবার জোগার . মনে হচ্ছে মরে যাবে . নিজেকে সিটের সঙ্গে চেপে রাখে ও. মনে হচ্ছে নিজেকে সিটের ভেতর ডুকিয়ে ফেলতে পারলে ভয় কিছুটা কমে যেতো . মনে মনে আল্লাহ্ ; আল্লাহ্ করতে থাকে . ছায়া দু’টো ওর পাশ দিয়ে পেছনে চলে যায় . পেছন থেকে হঠাৎ হাসির শব্দ ভেসে আসে . কামাল সাহস সঞ্চয় করে আবার পেছনে তাকায় .
লাশটা গাড়ি থেকে নেমে মাটিতে দাঁড়িয়ে আছে . শরীরে জড়ানো মুদ্দারের কাপড় এলোমেলো ঝুলে আছে . লোকটার হাতে সাদা কাপরের একটা পুটলির মতো কিছু . দু’জন মহিলা দাঁড়িয়ে আছে লোকটার ঠিক সামনে . একজন পুটুলিটি একটু ফাঁক করেতেই কামাল একটি শিশুর মাথা দেখতে পায় .
লোকটা পুটুলিটা গাড়ির ভেতরে ছুরে মারে . প্রায় সাথে সাথে হুরমুর করে সবাই গাড়িতে উঠে পরে গাড়িতে. কামালের শরীর শক্ত হয়ে গেছে . একবার ভাবলো গাড়ি থেকে নেমে দৌড় দেবে কিনা . কিন্তু কোথায় যাবে ? তার চেয়ে ভাল কিছু না দেখার ভান করে থাকলে হয়তো জানে বেচে যাওয়া যাবে . ও মনে মনে প্রার্থনা করে আল্লাহ্ বাঁচাও . পেছন থেকে টোকা দেবার শব্দ আসতেই কামাল চমকে উঠে – গাড়ি চালাল . ভারী এটা কন্ঠ বলে . কামাল চাবিতে হাত দিতেই গাড়ি স্টাট হয়ে যায় . কামালের মাথা কাজ করছে না . গাড়ি রাস্তায় উঠার সময় সাইড মিররে দেখতে পায় ছায়া দু’টো এখনও দাঁড়িয়ে আছে . হাতে ধরে আছে সাদা মতো দু’টো পুটুলি . এখন আর বৃষ্টি পড়ছে না ; তবে মাঝে মাঝে বিদ্যূত চমকাচ্ছে . মেইন রাস্তা ধরে গাড়ি চালাচ্ছে কামাল . ও চালাচ্ছে না বলে গাড়ি নিজে নিজে চলছে বললেই ভাল শুনায় . কেননা এই মুর্হুতে গাড়ির উপর ওর কোন কন্টোল নেই . ও শুধু চুপচাপ বসে আছে . গাড়ি নিজে নিজে চলছে . পেছন থেকে চুক চুক শব্দ ভেসে আসছে . কামাল নিজেকে সামলে সাহস সঞ্চয় করে আবার পেছনে তাকায় . দেখতে পায় দু’জন করে দুপাশে বসে সবাই সামনের দিকে ঝুকে বাচ্চাটাকে খাচ্ছে।

জীন বন্ধু

প্রথম ঘটনাটা হয় ঘরে, আমি ঘুমিয়ে আছি আমাকে কেউ যেন বলছে তুমি কি কাজ টা ভাল করলা আমি তো তোমার বন্ধু, ঘুম থেকে উঠে কাউকে দেখি না । কথাটা আম্মা কে বললাম কিন্তু কেউ কিছু বুঝলাম না । তার পর কিছু দিন কেটে যায়… । আরেক রাতে মনে হল আমাকে কে যেন বলছে তুমি আজ তোমার বিছানায় ঘুমাবে না । তোমার বিপদ হবে, কি মনে করে যেন আমি অন্য বিছানায় ঘুমাই । সেদিন রাতে আমাদের রান্না ঘরে আগুন লেগে যায় । সব চেয়ে ভয়ের কথা হল রান্না ঘরটা আমার রুমের পাশে আর আগুন লেগেছে আমার রুমের পাশেই । আমি অবাক হয়ে গেলাম যে রাতে কে আমাকে ঐ কথা বলেছিল । আপা কে বললাম আপা বললেন এটা জ্বীন,সে আমার বন্ধু হতে চায় । আমি আপাকে বললাম কথাটা আর কাউকে না বলতে । আসার সময় আপা আমাকে বললেন তোমার শরীর তো এমনিতে বন্ধ করা কিন্তু তুমি যদি কাউকে আসার সুযোগ দাও তা হলে সে তোমার ক্ষতি করতে পারবে । তবে এ থেকে বাঁচার একটা উপায় আছে তুমি যদি তোমার হাতে কোন বন্ধনি রাখ (যেমন ঘড়ি,সুতা আংটি ব্রেসলেট) তা হলে সে তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না । যতক্ষণ তোমার হাতে ঐ জিনিস গুলো থাকবে । আমি চলে আসলাম, তার কয়েক মাস কোন ঘটনা ঘটে নাই । আমরা বাসা বদল করে আরেক এলাকায় চলে আসি । আসার এক বছরের মাথায় একদিন আমি কাজে ছিলাম, তখন আমি একা দুপুর ২টা বাজে দেখি একটা মেয়ে পাশের বাসার ছাদের উপর থেকে আমাকে ডাকতেছে মেয়ে টার মুখটা খুব কালো করে বলল তুমি বাসায় চলে যাও যত তারা তারি পার । এই বলে মেয়েটা কোথায় যেন চলে গেল আমি কিছু বলতে পারলাম না । আমার তখন আরও কিছু ঘটনার মাধ্যমে জানা হয়ে গেছে যে সে আমাকে মিথ্যা বলেনা । আমি সাথে সাথে কাজ বন্ধ করে বাসায় চলে আসি । আসার পর জানতে পারি আমার বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । বিকালের দিকে খবর আসে আমার বাবা মারা গেছেন । (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহির রাজিঊন) আপনারা আমার বাবার জন্যে দোয়া করবেন তিনি যেন জান্নাত বাসি হোন ।

তার ঠিক ১৪দিনের সময় আমার ঐ আপা মারা যান । মারা যাওয়ার আগের রাতে আমি আপাকে সপ্নে দেখি । কিন্তু আমি বাসায় ছিলাম তার পরও কোন এক অজানা কারনে আমাদের মাটি দিতে যাওয়ার সময় দেরী হয়ে যায় । যে জায়গায় মাটি দেওয়া হয় সে জায়গা আমাদের নতুন বাসা থেকে এক ঘন্টার পথ কিন্তু সেই পথ আমরা বিশ মিনিটে কি ভাবে যাই তা আজো আমার কাছে অজানা রয়ে গেছে । তার পর আমরা মাটি দিয়ে চলে আসি, আপা মারা যাওয়ার আগে আম্মা কে কিছু কথা বলে যান আমি জানিনা কি ? তার পর থেকে আমাকে একা বিছানায় থাকতে দেওয়া হত । আগে আমি আমার বড় ভাই এর সাথে থাকতাম.

একটি মানুষের আকৄতি

Image
“আমাদেরকে ঘটনা পাঠিয়েছেন নাঈম আহমেদ। তার ভাষায় ঘটনাটা শেয়ার করছি।
আমি নাঈম। আমার বাবা একজন আর্মি ছিলেন। তাই না চাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়।বর্তমানে আমরা এখন যশোরে আছি। কিন্তু যে ঘটনাটি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই, সেটি ঘটেছিল ৬ বছর আগে। তখন আমরা ছিলাম বগুড়াতে। তখন আমি ক্লাস ৬ এ পড়তাম। বাবা আর্মি মিশনের জন্য দেশের বাইরে গেছিল। তখন আমাদের সরকারি বাসা ছেড়ে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে বাসা ভাড়া নিতে হয়। আর সেই জায়গাটা ছিল একটা ভয়ানক জায়গা, যে জায়গাটা আমি খুব ভয় পেতাম। বাবা যে জায়গাটি ভাড়া নিয়েছিল, সেটি ছিল কবর স্থানের পাশে। সেখানে না থাকার জন্য অনেক নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু বাবা-মা বলত, কবর স্থানে মত নিরাপদ জায়গা নাকি হয় না। তারপরও ইচছা না থাকার সত্ত্বেও সেখানে যেতে হল। নতুন জায়গায় যাওয়ার পর অনেক লোকের মুখে অনেক কথা শুনেছিলাম ঔ কবর স্থান সম্পর্কে যা মনে হলে আমার গা এখনও শিউরে উঠে। ঔ কবর স্থানটি ছিল অন্য রকম। মূলত আগে ঔখানে একটি বাঁশ ঝাড় ছিল। তারপর বাঁশ কেটে অনেক জায়গা তৈরি হওয়াতে কবর স্থান করে ফেলে। নতুন বাসার মধ্যে যেখানে আমার রুমের জানালা ছিল, সেখান থেকে কবর স্থানটি সহজেই ভালমত দেখা যেত। সেদিন ছিল গরম কাল। অতিরিক্ত গরম পরার কারণে জানালা খুলে ঘুমাচ্ছিলাম। মাঝ রাতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। তখন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। জানালাটি বন্ধ করার জন্য আমি জানালা পাশে গেলাম। হঠাৎ করে আমার চোখ গেল, কবর স্থানের দিকে। এতই অন্ধকার ছিল যে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। মাঝে মাঝে বিদুতের আলোতে খুব ভয়ানক লাগছিল কবর স্থানটি। তারপর হঠাৎ করেই চোখ গেল একটি কবরের দিকে। অল্প আলো থাকায় ভালত দেখা যাচ্ছিল না, সেখানে কি হচ্ছে। তারপরও ভালমত দেখার চেষ্টা করছিলাম। দেখি সেই কবরের মাটি ক্রমেই ঝরে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে কেউ একজন হাত দিয়ে কবর খুড়চ্ছে। তারপর সেই কবর থেকে হঠাৎ একটি হাত উঠে এল। আস্তে আস্তে সেখান থেকে একটি মানুষের আকৄতির মত কিছু একটা দেখা গেল। সেটি ছিল অনেক বড়। সেটির গায়ে ছিল সাদা রঙের কাপড়। তারপর সেটি এক কবর থেকে অন্য কবরে ঘুরাঘুরি করছিল। আমার খুব ভয় লাগছিল। মনে হচ্ছিল জানালা লাগিয়ে দৌড়েঁ মার কাছে গিয়ে শুয়ে পরি। কিন্তু দেখারও খুব ইচ্ছা হচ্ছিল। কিন্তু তখনও বুঝতে পারিনি যে সবচেয়ে ভয়ানক ঘটনা আমার সাথে ঘটত চলচ্ছে। কিছুক্ষণ এরকম চলার পর সেটি হঠাৎ আমার জানালার দিকে তাকাল। জানালার পাশে যে কবরটা ছিল, সেটি দিকে আসতে লাগল। এতে আমা খুব ভয় পেয়ে গেলাম। আমি সেটির মুখের দিকে তাকালাম। কিন্তু অন্ধকারের জন্য কিছুই দেখতে পেলাম না। তারপর হঠাৎ বিদুতের আলো পরায় সেটির মুখটা দেখতে পেলাম। আমি যা দেখলাম তা কখনই আমি আশা করিনি। আমার শরীর ঠান্ডা হতে লাগল। কারণ সেটির মুখ ছিল, রক্তমাখা এক বিভর্ষ মুখ। আমি সেখানে স্থির হয়ে গেলাম। আমার নড়ার কোন শক্তি ছিল না। জানালাটা লাগানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু পারছিলাম না। কতক্ষণ এইভাবে চলার পর আমি মাটিতে পরে যাই। যখন চোখ খুলি তখন নিজেকে বিছানায় আবিষ্কার করি। পাশে দেখি মা বসে আছে। মার কাছে জানতে পারি, আমি সারা রাত অজ্ঞান ছিলাম। সবাই আমাকে প্রশ্ন করতে লাগল, কি হয়েছিল রাতে ? কিন্তু আমি কাউকে কিছু বলে পারিনি। আমি কখনই এই ঘটনা ভুলতে পারব না।।

সিজোফ্রেনিয়া অথবা জীবত

 আমার মা সামান্য মেয়ে যখন সে তার ভাই ও বোন মত খুব মিশুকে ছিল না. তিনি বহু বন্ধু আছে না, বা বাড়িতে নিজেকে দ্বারা সময় কাটাতে পছন্দ করেন. তিনি কিছু বন্ধু আছে. তাদের মধ্যে, তিনি একটি বিশেষ মেয়ে সঙ্গে ভাল বন্ধু ছিল. সাধারণত তারা সব সময়ে একে অপরের সাথে খেলা এবং সাধারণত আমার মায়ের বাড়িতে বা মেয়ে হয় সামনে হবে.

এক দিন, কিছু পরিবর্তন করেছে.

আমি সঠিকভাবে ধেয়ান, তাহলে মেয়ে হয়তো কিছু উপাদান বা কিছু, আমার মায়ের বাসা থেকে কিছু পেতে যেতে বলা হয়. আমি বিশেষ করে নিশ্চিত নই. তিনি (আমি এটা তার যেতে বলা ছিল যে যারা ভুলে গেছি) বলা হয়েছিল, তাই সে করেনি. কি 5-7 মিনিটের বেশি সময় নিচ্ছে ছিল নিতে অনুমিত ছিল. অবিলম্বে চিন্তার মেয়ে আমার মায়ের চ্যাট নিয়েছিলাম এবং এটি সম্ভবত কেন তিনি যত দ্রুত ফিরে না ছিল যে. তিনি পাঠানো হয়েছিল থেকে প্রায় 20 মিনিট পর, তার মা আমার নীরব এর বাড়িতে গিয়েছিলাম. তার মেয়ে দ্বারা এসেছিলেন যদি তিনি সেখানে পেয়েছিলাম, সে জিজ্ঞাসা. উত্তর নেই না, সে চিন্তা করতে শুরু করে. কি হতে পারে? যেখানে তিনি সর্বস্বান্ত হতে পারে? এই চিন্তা মেয়ে মায়েরা মাথা মাধ্যমে স্থাপিত হয়.

এটা আমার পিতামহ এবং অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মেয়ে খুঁজছেন যে গিয়েছিলাম তারপর ছিল. মা চিন্তিত ছিলাম এবং শান্ত এবং আমার নানী দ্বারা জল দেয়া হচ্ছে. পুরুষদের পুরুষদের এক নদী দ্বারা স্থায়ী মেয়ে পাওয়া যায় সর্বত্র এবং অবশেষে করছিলেন. তিনি তার থেকে ডেকে সে সাড়া বা চারপাশে ঘুরিয়ে না. মানুষের এই অদ্ভুত পাওয়া যায় নি. কিন্তু তিনি তার থেকে পেয়েছিলাম আপ এবং তিনি চিত্কার ছিল যে তার থেকে যখন বলেন, কেন সে এখানে এসেছে এবং তার মা চিন্তিত ছিলাম যে, মেয়ে এখনও সাড়া না. তারপর তিনি তার ধরলাম এবং প্রায় তার প্রমাণিত. এটা এই মুহূর্তে ধসে মেয়ে ছিল.

তিনি তার বাড়িতে বাহিত ছিল. মা অব্যাহতিপ্রাপ্ত ছিল জানিয়ে কোনো understatement হবে. পরের দিন ডাক্তার তার উপর পরীক্ষা আসেন. তিনি শারীরিকভাবে ছিল জরিমানা. তারা কি ঘটেছে এবং তিনি সে কেউ তার নাম আহ্বান শোনা যখন আমার মায়ের বাসা থেকে পথে ছিল কি বলেন তার জিজ্ঞেস করেছেন. তিনি তা থেকে আসছে যেখানে দেখতে পরিণত যখন এটি তার মা ছিল এবং চিন্তা ছিল. তারপর তিনি বলেন, এটি দেখতে প্রমাণিত কিন্তু অন্য কিছু মনে রাখবেন না.

পরের কয়েক দিনের জন্য, কিছু স্বাভাবিকভাবে যান. মেয়ে ওভার আসেন এবং আমার মায়ের সঙ্গে অভিনয়, এবং কিছুই সাধারণ ছিল আউট. এক দিন পর্যন্ত, কালচে কাছাকাছি, মেয়েটির মা তার তার আউট বলা হয়. মা মেয়ে তার রুমে ছিল. কোন উত্তর এসেছিল একটি প্রতিক্রিয়া হচ্ছে না বিরক্ত মা, শুধুমাত্র সেখানে ছিল না যে এটি তার রুমে গিয়েছিলাম. তিনি ঘর জুড়ে লাগছিল কিন্তু মেয়ে ছিল না.

আমার মা সময়ে তার রুমে ছিল. তিনি একটি বই পড়া বা একটি পুতুল সঙ্গে বাজানো হয়. আমি যা ভুলে গেছি. এটা এই সময়ে সে কেউ তার নাম খুঁজে আহ্বান শোনা ছিল. প্রথমে তিনি তা কাল্পনিক চিন্তা. তারপর তিনি বলেন, আবার শোনা. এটি পরিচিত ধুত. তাই সে বাইরে দাঁড়িয়ে তার বন্ধু, মেয়ে, দেখতে উইন্ডোর খুঁজে লাগছিল. মেয়ে আবার বাইরে আসতে এবং খেলতে আমার মা জিজ্ঞাসা. আমার মা, তরুণ হচ্ছে বাইরে যেতে চেয়েছিলেন.

সে দরজা যাচ্ছে ছিল, আমার ঠাকরূণদিদি সে যাচ্ছে তার জিজ্ঞাসা. আমার মা তার বন্ধু তার আহ্বান ছিল এবং সে তার দেখতে হবে যে তাকে জানান. এটা আমার ঠাকরূণদিদি তার থামানো তারপর ছিল. কুসংস্কারাচ্ছন্ন হচ্ছে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে, থেকে মানুষ সাধারণত আগে মেয়ে এবং একটি কয়েক দিন প্রায় একই সময়ে আগে কি ঘটেছে মনে করে তিনি বলেন, বাড়িতে আমার মা খুঁজে নয়. এটা মেয়েটির মা এসেছে তখন. একটু ক্ষিপ্ত তিনি তার মেয়ে দেখেছি এবং সে তার নিজের উপর এই সময়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে কেন মেয়ে ক্রুদ্ধ হয়েছে. মেয়ে উত্তর করা হয়নি. পরিবর্তে মেয়ে এখনও আমার মায়ের জন্য অপেক্ষা করছে, আমার মায়ের বাড়িতে সম্মুখীন ছিল.

সাড়া দিচ্ছে না মেয়ে, এইজন্য মা রেগে গেল, তিনি (এবং সম্ভবত তার বীট) তার বাড়ির টানুন যাতে মেয়ে আর্ম টানা কিন্তু মেয়ে দূরে তার বাহু টানা. তিনি মা ভয় দেখানোর যে চেহারা দিয়েছে, এবং একটি গভীর, গোঁ গোঁ শব্দ করা ভয়েস মত স্পর্শ করা যাবে না আপনি বলেন.

আমার পিতামহ তার গবেষণা থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঘটছে কি আমার ঠাকরূণদিদি জিজ্ঞাসা. আমার ঠাকরূণদিদি তাকে পূরণ এবং তিনি গিয়েছিলাম আউট. মেয়ে এবং ভীত ভদ্রমহিলা, এইজন্য তিনি এটা খেলতে আসা আউট Shelly (আমার মা) জন্য খুব দেরি হয়ে গেছে যে বলেন. তিনি বাড়িতে যান এবং সকালে ফিরে আসা উচিত. এই শ্রবণ মেয়ে,, ফিরে পরিণত এবং বাড়িতে গিয়েছিলাম. তারা মেয়ে অনুসরণ করার সময় আমার দাদার মা বাড়িতে escorted.

নিম্নলিখিত মাস জুড়ে ঘটতে পারে. মেয়ে আসতে এবং বাইরে আসতে এবং খেলতে আমার মা কে কল করবে. প্রথমে এটি কালচে প্রায় ব্যবহার করা হয়. তারপর তিনি বলেন, দিনের অন্য সময়ে কল ব্যবহার করুন. আমার ঠাকরূণদিদি, আমার মা এর নিরাপত্তার জন্য ভয়, আর মেয়ে সঙ্গে আমার নীরব খেলা যাক না. সাধারণত, যদিও মেয়ে নিজেকে ছিল. তারা মেয়ে সে কথা বলা বা কাজ করবে উপায় কারণে ছিল না যখন মেয়ে স্বাভাবিক ছিল এবং যখন পার্থক্য পরিচালনা করুন. তিনি আমার মা কল ব্যবহার পথ, দুই রাজ্যের মধ্যে সামান্য ভিন্ন, তাই মেয়ে জানত যারা পার্থক্য বলতে পারে.

এটা তার নিয়ন্ত্রণ ছিল যাই হোক না কেন পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করতে পারে এমন কেউ, যিনি তার নিতে এক দিন তার বাবা দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়. সুতরাং মেয়েটির অভিভাবক আপনি একটি exorcist কল হতে পারে, দেখতে যেতে গ্রাম থেকে কিছু পুরুষ বরাবর মেয়ে নেয়. তারা সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছিল বেশ দূরে যাতায়াত ছিল exorcist বাসভবন পেতে. প্রথমে তারা একটি রেল স্টেশনে গিয়েছিলাম. এ পর্যন্ত মেয়ে তার স্বাভাবিক স্ব ছিল না. তারা ট্রেন সম্মুখের পেয়েছিলাম পর্যন্ত তারা কিছু পরিবর্তন দেখেছি যে ছিল না. মেয়ে growling শুরু করে. তারপর মেয়ে গ্রাম থেকে দুই পুরুষ তার ধরলাম এবং জায়গায় তার অনুষ্ঠিত তাই ট্রেন বন্ধ পেতে চেয়েছিলেন. মেয়ে সংগ্রাম শুরু এবং পুরুষদের তার উপর অধিষ্ঠিত করতে সমস্যা ছিল অধিষ্ঠিত. তারা অন্য পুরুষদের এবং পিতা তাদের সাহায্য হয়. তারপর আপনি একটি সামান্য মেয়ে নিচে রাখা চেষ্টা এবং এটা করতে সংগ্রাম, 5-6 উত্থিত পুরুষদের ছিল. অন্যান্য মানুষের সাহায্য করার জন্য চেঁচিয়ে বললেন. পর্যবেক্ষক কিছু লোক সাহায্য করতে খুব ভয় ছিল. দুটি বা তিনটি অন্য পুরুষদের সাহায্য করতে গিয়েছিলাম. মেয়ে আবেগপূর্নভাবে শিথিল এবং পুরুষদের তার ধারণ সংগ্রাম ছিল পেতে চেষ্টা বৃত্তাকার পিটুনি ছিল. আরও মেয়ে তাদের গ্রাম থেকে আরও মেয়ে লড়াই ছিল. তারপর হঠাৎ করে এটা বন্ধ. মেয়ে স্বাভাবিক ফিরে আসেন. পুরুষদের এই দ্বারা মর্মাহত হয়. কিন্তু তারা সতর্ক ছিল এবং তারা exorcist এর বাড়িতে পৌঁছে পর্যন্ত তার পাশে 3-4 পুরুষদের রাখা.

তারা exorcist পেয়েছিলাম, তারা যেহেতু সব কাজ করেন কি ঘটেছিল তাকে বলেন ছিল. exorcist জিনিস, একটি jinni, মেয়ে সম্ভবত এলাকা বাধ্য ছিল আবিষ্ট করে. এটা ট্রেনে খুব একটা কঠিন লড়াই করার কারণ ছিল. একবার মেয়ে এলাকা ছেড়ে, কারণ এটা তার নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে না. তিনি মেয়ে উত্পন্ন হয়ে থাকলে তা আবার তার ভোগদখল করতে সক্ষম করা হবে. এটা সবসময় আমার নীরব কে বলা হয় কেন জানতে চাইলে exorcist এটা চেয়েছিলেন সম্ভবত আমার নীরব বলেন, এবং আমার নীরব এবং মেয়ে বন্ধু ছিল হিসাবে এটি একটি সুযোগ দেখেছি যখন তিনি মেয়ের ভার গ্রহণ করেন. কেন এটা আমার নীরব চেয়েছিলেন? আমি জানি না. তিনি হয় খুঁজে পাইনি.

মেয়ে গ্রামে ফিরে যখন তিনি প্রথম কয়েক মাসের জন্য ফিরে নিজেকে ছিল. কিন্তু তারপর দখল ফিরে আসেন. এটি মেয়ে এবং তার পরিবারের দূরে এলাকা থেকে সরানো এই কারণে ছিল. এবং শিশুদের কেউ কালচে বা রাতে খুঁজে অনুমতি পেয়েছিল.

Singing Girl

 One night, my friend Carla and I decided to spend the night at our friend Rennae's house, which was located in Union City, California. That night we were just hanging out in Rae's upstairs den - playing video games, chatting, watching movies, and other things. That's also where we spent the night and we were near the railing of the stairs.

Around midnight to 1 am when we all began getting tired, Rennae decided to share some secrets about her house, which she has never shared with anyone before. She told us that she always had strange feelings about living there, whether she'd be alone during the day/night, or with her family. There was something in that house that seemed to make her feel very uneasy.

She told us that she suspected that her house was haunted, because it belonged to someone who might have passed away a long time ago. During the past few years, (she lived about 4 or 5 years in that house) - she's heard many strange noises, especially at night. Noises that included consecutive scratching on the walls, objects being moved from a distance, and even footsteps. However, there was one noise in particular that seemed to disturb her the most. She described the noise to be what sounded like a little girl singing.

Carla and I joked about her lying for a while but at the same time, we did somewhat believe her--because she wasn't the type of person who would lie/joke about these things. After talking about it we all dozed off around 1:30 am.

About an hour later, I heard something strange coming from downstairs. Since we were sleeping near the railing, it seemed like it was coming right from the bottom of it. I would describe the sound as the shuffling of footsteps/distant whispering of a person. I covered my head with my blanket, started getting cold sweat on the palms of my hands, and stayed quiet. (I thought to myself, maybe if I just ignore it, it'll stop.) The noise went on and it seemed like the more I ignored it the louder it became.

I couldn't take it anymore so I woke up Carla and asked her if she could hear the footsteps or whispering too--or if I was just going crazy. We listened quietly and the noise continued. Carla and I just looked at each other shocked at what we were hearing. We both decided to wake up Rennae and we tell her about the noises we heard. It scared us even more because the noises we were hearing were the exact noises Rennae has been hearing for the last few years. Although, it seemed like Rennae had become used to it because she wasn't as shocked as we were. We all sat up and listened for a few minutes, and immediately afterwards everything just became quiet. We looked towards the stairs and nothing but pitch black was at the bottom.

Then, after a couple of minutes... That's when we heard the sound of a little girl singing. We couldn't really hear the words she was singing but what we do know was that she was singing parts of a song--like a singer who only remembers some words of a song. During those minutes of listening to her sing, we were all frozen solid just glaring at each other with our jaws completely dropped. I was honestly about to cry because I hadn't felt so terrified in my life.

The little girl had eventually stopped singing and after that there was nothing but silence once again. From that moment on until morning came, we ended up sleeping together on the same couch, which was away from the stairs so we wouldn't have to see the downstairs from where we were sleeping.

The next morning, Rennae decided to move out and stay with one of us for a while until she found another place to live. We never knew who or if anyone decided to move in at that house next. For all we know now it could be abandoned due to the number of hauntings that might have taken place.

From that day on, the only thing that remained in our minds was that creepy song that little girl sung. Sharing this with you gives me shivers all over because all I could think of is that creepy song...

George The Ghost Or Demon



I first started experiencing George's presence when I played with a Ouija Board. He talked to me through the board telling me he was here to protect me and he meant no harm to me or anyone else. I am not sure if he really is here just to protect me. He has very much made his presence known to me. I was sitting in my room watching tv. I got a really creepy feeling like someone was watching me. There on the outside of my door looking in was this man standing there staring at me. He was dressed in a torn up suit had cuts on his face and he was just mean and scary looking. I was stunned but I closed my eyes counted to 3 and looked... He was gone.

After that night things progressed, I started hearing sounds like, foot steps, voices exc. It scared me but I always just shrugged it off. Until I was laying on the couch and felt someone lie down by me. That actually happened to me 3 times. I was having problems so I moved from my mom's to my boyfriend's house and he had followed me. I know this because my boyfriend has seen him as well. He was in his room sleeping and woke out of a dead sleep he said he looked out at his hallway and George was standing there staring at him. He said he just shrugged it off and went back to bed. The next day he told me and decribed the exact decription of the man I saw in my room.

A few days after Thanksgiving his family and I were all sitting in the living room after putting up the Christmas tree, all of a sudden we heard this crash everyone thought it was the Christmas tree. His little sister jumped up and looked in the other room to find the Christmas tree was still standing. I checked the bathroom and the shower door was shattered. It kind of worries me because I don't want to be stuck with this my whole life but then again I kind of like it.

I am worried he could be a demon, because the other night my boyfriend, his friend, and I were playing with the Ouija board again, we were talking to him and he was messing with us. We asked him what he did that day he said sex, we just laughed and asked with who and then he spelled out my boyfriends name. Then I asked if he was just kidding and he said yes.

Hush

I'm sure we've all realized in our lifetime that when you're alone EVERYTHING seems more scary, and things that normally wouldn't happen, happen. Now this is not a story to read in the dark to scare the pants off you, or to make you unable to sleep tonight. That is NOT the reason I am posting, but if that happens then I am sorry, but maybe that's why you're reading. The main reason, is so their story gets told, because I think that's what they want. Call me crazy... Maybe I am.

This story takes place a little over... Well, it started like 4 or 5 years ago I suppose, and hasn't stopped since. Lets start with saying my first love had moved, but was on a trip back to Wyoming to see me when he was killed in a car accident in Pheonix, Arizona. We had gotten into a fight the night before, and I told him not to bother coming anymore. But, being as hard headed as he was, he came anyway. I don't understand, because he always wore a seatbelt, but for whatever reason, he didn't have it on that morning. He was 17 at the time. I got a phone call the next morning from his mother, and I was devastated.

For those of you who know the pain of a loved one lost, I'm sorry. For those of you that don't know, I pray you never have to find out. About 3 months after the incident, I'd start waking up gasping for breath. If you've ever had that feeling where you wake up suddenly, usually at 3:00am (for me at least), and you have that terrible feeling in your body like something just awful is near you? You're terrified to move or even hardly breathe! Eyes finally open, adjusting to the dark, I'd see nothing. I was so scared I just wanted to cry, and once I think I did start crying. Then the feeling would automatically shrink, and I'd notice a figure in the corner of my room. I thought if anyone was in my house it'd be best to warn everyone by a scream rather than sit there silently. I quickley turned my bedside lamp on, and turned back to where the figure had been to find nobody there.

I thought I had lost my marbles. This went on for the next 2 years, but eventually, somewhere along in those 2 years I got used to this. The figure would never harm me, and seemed to make the bad feeling in my room go away so I figured it was my sweetheart of a guardian angel just watching over me. At least, that's what I liked to believe to keep what was left of my sanity.

Well just shortly after my 16th birthday, things changed. A couple of friends and I had decided to go on an adventure out to the Chinese Tunnels. (Chinese Tunnels are an urban legend of haunted railroad tracks right outside of Evanston, Wyoming. Long story short, the Chinese workers were used to build the tunnels, and when they died they were buried in the walls, for lack of filling to use. If you go there at night you can hear crying, whispers, and occasionally see shadows walking. Creepy, right?) we had gone there TONS of times, and we'd tell scary stories before we'd go in to get an even better scare. Of course we'd see things and hear voices, but nothing real bad ever happened, until my friends brought in a video camera.

Taunting whatever was in there, "Show yourself!" and "I don't believe in ghosts!" And finally, "Come get me!" and taking pictures of the walls, and down the way, shadows lighting up with every flash of the camera, While I am looking like a goober yelling "They don't mean it! They're just trying to scare themselves! Please don't take it the wrong way!" When suddenly at the other end of the tunnel I see something running. To US.

The idiots turn and start recording, when I take off running out to the truck. Not even 30 seconds later, they come running to the truck as well, then we tore off out of there. We get back to my house and look through the pictures, finding nothing but a bunch of dust floating around. No floating spirits, no red eyes, no sharp teeth. But then we watched the video.

You can hear the occasional curse of one of my friends as they realize what we were looking at, and then too much shaking to even realize what's going on. But we paused the image at just the right time to see a dark, humanly disfigured shadow in the distance, which was what had chased us. Along with even stopping to film the horror we just witnessed, the idiots also deleted our proof. And for whatever reason, whatever had chased us in the tunnels, even after I apologized, followed ME home.

That night while going to bed a frame fell off my wall. I jumped up, and on my way to get the frame, my bed started shaking. I screamed, and heard a groan, and then all movement stopped. Tears in my eyes, I looked around the room to find nothing out of the ordinary other than a broken frame. My mom came into the room alarmed, and I told her the ghosts were redecorating. At last when I got the guts to turn off the light and lay down, I heard footsteps down the hallway. Now, my house is carpeted, so in order for me to hear footsteps they'd have to be all but stomping! Whatever was coming, was NOT happy.

I cringed when whatever it was should have showed up in my doorway, but it never did. The footsteps stopped and I felt like it was staring at me, and the fear in my body was so great that it HURT. The awful feeling rose and I couldn't move. And then the footsteps turned around and left. With every step it got quieter, and the evil dissappeared. And to this day, I swear I saw my guardian angel appear in the corner of my room, like he always does. But that time, he whispered something. Very quietly, very calmly, and very sweetly, "Hush."

Now, this is one of the MANY paranormal experiences I've encountered. But this is the only one that ever brought me to tears to re-tell. The thing is, with every story you'll hear someone tell, there's always one spirit whose actions are extreme. They want to be known. And I feel like it's our job to make them.

Weird Workplaces


The building I work in is a boring, utilitarian one-story building located on a highway as you turn to leave our town. The neighborhood it is located in was once residential, with homes built in the late 19th-early 20th centuries. Most are long gone.

The building, about 50 years old, just feels funny to me. I don't feel like anyone is watching me. Let me say that up front. But it just feels weird.

It may be important to note that on one side of us is the site of a tragic house fire that took the life of an older woman and on the other side is a funeral home.

The business I manage is a service-business. People use the reception area to deal with the front office and customer service staff. My office is in the back, near the back door. It's fairly quiet during the day. I often come in on weekends to get paperwork done.

When I do, I often hear typewriters in the front office. Like everyone else, we use computers, and you can barely hear the keyboards. When I leave my office to check the front, nothing is there. Certainly no typewriters!

One weekend I was working and I heard voices in the conference room, which is on the other side of the building from my office. They were low murmurs; they voices were so faint I could not understand them, standing in the front office. They subsided and then disappeared as I approached the conference room. I took photos (I won't post them because there are signs in the photos that identify the business) and there was nothing there, but I shared them with a sensitive friend who says she "felt something" there.

One Friday night I had to return after dark to handle an essential task. I was alone in the back of the building in my office. I couldn't wait to get out! I kept hearing odd noises: Creaks, taps, etc., in the front part of the building. What doesn't bother me during the day is scarier at night.

Most recently, I was alone in the front reception area when I heard noises in the workroom next to my office. It sounded like paper being crumpled. It was not the fax; I have no idea what it was. I thought perhaps it was mice, but the traps we set yielded no dead mice.

A few weeks ago, my husband came to work with me to help install a carbon monoxide detector. He brought his electric drill. While I was in my office, I heard the drill going. When I went out into the front office, he had not even plugged it in yet. Not a paranormal experience, but somehow my ears anticipated the sound I would hear when he finally got to work.

There are many many plausible explanations for the noises I hear (except the crumpled paper - I cannot figure that one out). But it just feels odd.

It's not half as scary as the old funeral home I worked in while in college. I worked for a business that was located in the former hearse garage. It was a small shop, with just two rooms. To get to the bathroom, you had to enter the employee lounge of an insurance company and walk down an L-shaped corridor. To be there alone on weekends, which I was since I did the books, and have to use the bathrooms was the scariest thing I've ever had to do.

Heard Someone Say Hey!


I have of course had some more creepy experiences since last time I wrote. 2 in total actually.

Now, this one isn't really an experience, but I take my brothers word for it that it scared him. Anyways, one day me and my family were talking and landed on the topic of dreams. We were taking about the bad dreams we all have had, and my brother out of the blue said, "Well, I had a bad dream a few nights ago." We started to ask him about it, and he immediately started to tell us about it. He said, "Well, we were being chased by a monster." when we asked him what kind of monster, he said he couldn't remember and got embarrassed. We told him he doesn't have to be afraid, and he said "Alright, fine. All I remember was that it had big red eyes and big claws... And it was trying to hurt us." Me and my mom just looked at each other shocked. After that he insisted he was too scared to go to bed by himself, so he slept with me.

Second one- Just the other night I was downstairs resting on the couch. All of the sudden I hear a loud BANG! My dog totally freaked out. My mom was with me at the time and turned to me with eyes wide open and said "Did you hear THAT?" I shook my head yes and we both ran to the steps, which lead to our bedrooms (where I thought the noise came from) My mom asked me where the loud bang came from and I said "Well, it sounded like someone banged against one of our bedroom doors." Our bedroom doors were closed at this time. My mom just said "It sounded like someone kicked the dang door." That's a good reason she thought that, it was LOUD.

She turned on her ghost radar, (which is an app) which is programmed to show the dots where the spirits are at, and it supposedly projects words that the spirits are saying. After 20 minutes probably of trying this thing, nothing but 3 dots showed up for a while, nonsensical words projected, and after asking to, no word or touches were felt or heard. I decided I would actually go upstairs and try to talk to it.

After 5 minutes of trying that and nothing, I decided I would get my dog to go up there. He seemed scared to go up by himself, as he wouldn't even go up half the staircase, so I picked him up and we went up together. I calmed him down, and as soon he knew it was okay he immediately went over to my bedroom door and started digging and sniffing at the door. Just so you know, there was no food, drinks, perfume, his toys, or anything that he could have smelled or wanted. I just thought nothing of it. I brought him back downstairs and my mom was ready to just give up. So was I, but I told her I wanted to say something first.

I said, "Okay, I know maybe you don't have the energy to do anything right now, so when you get enough energy, I want to to knock on the door. Just like you did now." Low and behold, after 20 minutes probably, I heard the same thing. I swear I also heard someone say "Hey!" after the noise. It was so creepy. It's like someone was trying to get out, hence the "Hey!" part. I told my mom, and she just said "Are you serious?" and we started talking about it, to only be interrupted by my dad to tell us it's nothing, just the wind, (doesn't even make sense how it would be the wind) and to go to bed. I went to bed and was still freaked out. So, after all of that, my mom told me the next day that at about 4:00 am that morning she heard the same thing but louder. That really creeped me out.